ঝালকাঠিতে সরকারি স্কুল ও মাদ্রাসার জমি দখল করলেন সাবেক বিএনপি নেতা

শেয়ার করুনঃ

ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি ::ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার চিংড়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সংলগ্ন সিনিয়র মাদ্রাসার খেলার মাঠ, পুকুর এবং নূরানী শাখার শ্রেনী কক্ষ ও অফিস দখল করে নেয়ার অভিযোগ পাওয়াগেছে। স্থানীয় প্রভাবশালী জেলা বিএনপির সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল জলিল মিঞজী এসব যায়গা দখর করে গাছপালা লাগিয়েছেন এবং হাঁস, মুরগী ও গবাদি পশুর খামার গড়ে তুলেছেন। কেউ এসবের প্রতিবাদ করলে তাকে মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। এতে ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর শিক্ষা ও প্রশাসনিক কর্মকান্ড ব্যাহত হচ্ছে।


সোমবার সকাল ১১ টায় ঝালকাঠি প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন চিংড়াখালী সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. রম্নহুল আমীন হাওলাদার। সংবাদসম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উলেস্নখ করা হয় ১৯৪৩ সালে চিংড়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সিনিয়র মাদ্রাসা ও মিঞাজী দরবার শরীফ প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তিতে সেখানে প্রতিষ্ঠা করা হয় একটি নূরানী মাদ্রাসা, এতিমখানা, হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও লিলস্নাহ বোর্ডিং। বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানে সাড়ে সাত’শ শিক্ষাথী রয়েছে। আবদুল জলিল মিঞজী নামে স্থানীয় এক প্রভাবশালী বিএনপি নেতা বছর খানেক আগে বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার সংলগ্ন খেলার মাঠ ও জমি দখল করে গরম্ন-ছাগল ও হাঁস-মুরগির খামার করেছেন। সস্প্রতি তিনি নূরানী শাখার দু’টি শ্রেনী কক্ষ টিনের বেড়া দিয়ে এবং অফিস কক্ষ তালা দিয়ে নিজ দখলে নিয়েছেন।

এ বিষয়ে ১১ জানুয়ারি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান মন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. রম্নহুল আমীন হাওলাদার।

এ ব্যাপারে কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুফল চন্দ্র গোলদার জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং ইতোমধ্যে ভুমি কর্মকর্তাকে তদন্ত্মের নির্দেশ দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনিয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সাবেক বিএনপি নেতা আব্দুল জলিল মিয়াজি বলেন, এটা আমার সম্পত্তি তাই আমি এ জায়গা দখল করে নিয়েছি।